শিরোনাম:
ঢাকা, রবিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২১, ২০ অগ্রহায়ন ১৪২৮

Natun Khabor
শনিবার ● ২৮ আগস্ট ২০২১
প্রচ্ছদ » জাতীয় » জেলা বিএনপির কার্যালয় এখন ফুচকার দোকান
প্রচ্ছদ » জাতীয় » জেলা বিএনপির কার্যালয় এখন ফুচকার দোকান
৮৮ বার পঠিত
শনিবার ● ২৮ আগস্ট ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

জেলা বিএনপির কার্যালয় এখন ফুচকার দোকান

নিজস্ব প্রতিবেদক,নতুন খবর:

---
ভ্যানগাড়িতে করে ফুচকা হালিম বিক্রি করছেন বিক্রেতা। আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লাল রঙের কয়েকটি চেয়ার ও রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার আশে-পাশেই। মোটামুটি অনেকটা জায়গা নিয়েই পসরা সাজিয়ে বসেছেন এ দোকানি। নিয়মিতই তার দেখা মিলে একই স্থানে।
যে স্থানটিতে প্রতিদিন দাঁড়িয়ে ফুচকা বিক্রি করেন স্থানটি নেত্রকোনা জেলা বিএনপির কার্যালয়। তাই বলা চলে ছোট বাজারের জেলা বিএনপির কার্যালয়টি এখন অস্থায়ী ফুচকার দোকানে পরিণত হয়েছে। শুধু ফুচকা নয়, পাশের কাঁচা বাজারে সবজিও পড়ে থাকে কার্যালয়ের সামনে।

বাইরে থেকে তালাবদ্ধ পুরো কার্যালয়। ভেতরে ঘুটঘুটে অন্ধকার, ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে চেয়ারগুলো। ময়লা-আবর্জনায় অপরিচ্ছন্ন এ কার্যালয় শেষ কবে খুলেছে তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে।

যদিও বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন নিয়মিতই কার্যালয় খোলা হয়। চলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা। তবে করোনাকালীন এ সংকটে অনেকটা সীমিত পরিসরে নাকি চলছে তাদের কার্যালয়ে কার্যক্রম।

তবে বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা আশপাশের বাসিন্দা ও দোকানিরা বলছেন দিনে অল্প কিছুক্ষণ কার্যালয় খোলা থাকলেও বেশিরভাগ সময়ই থাকে তালাবদ্ধ। গুটি কয়েক জন নেতাকর্মী এসে কার্যালয়ের ভেতরে আড্ডা দিয়ে আবার চলে যান নীরবেই।

কার্যালয়ের মতো নেতাকর্মীদের মাঝেও রয়েছে অবহেলায় আভাস। দলীয় কোন্দল আর নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না দেওয়ায় কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন একসময়ের সুসংগঠিত দলটি।

নানা বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে গত ১৫ বছর ধরে রাজনৈতিক মাঠ থেকে একটাই ছিটকে গেছে দলটি। যদিও গত দুবছর আগে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে আবারো দলটিকে নতুন করে সুসংগঠিত করার চেষ্টা শুরু হয়। দীর্ঘদিনেও পুরোপুরি কমিটি করে গুছিয়ে উঠতে পারেনি নতুন কমিটির নেতারা।

তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানান, নেতৃত্ব শূন্যতা আর অভ্যন্তরীণ কোন্দলে খুবই খারাপ অবস্থা নেত্রকোনা জেলা বিএনপির। এর প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন উপজেলা ও ইউপি কমিটিতে। এ অবস্থা কাটিয়ে পুনরায় অবস্থান ফিরে পেতে প্রয়োজন বলিষ্ঠ নেতৃত্ব।

জেলা বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীরা জানান, সর্বশেষ ২০১৪ সালে জেলা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটি এখনো চলছে। তিন বছরের মেয়াদ বহু আগেই শেষ হয়েছে। তবু বাতিল ঘোষণা করা হয়নি, গঠিত হয়নি নতুন কমিটি। সাত বছর পর ডা. মো. আনোয়ারুল হক ও ড. রফিকুল ইসলাম হিলালীর নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হলেও অজ্ঞাত কারণে থেমে আছে বাকি প্রক্রিয়া। এর জন্য জেলার নেতা-কর্মীদের বিভক্ত হয়ে যাওয়াকেই দায়ী করছেন অনেকে। শুধু নেত্রকোনো বিএনপি নয়, একই অবস্থা দলটির অঙ্গ সংগঠনগুলোরও।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিএনপি নেতার অভিযোগ, কমিটি গঠন নিয়ে নেত্রকোনা বিএনপিতে রয়েছে নানা টালবাহানা। রাজনীতির মাঠে সক্রিয় নেতারা স্থান পান না কমিটিতে। পকেট ভারী কিছু নেতার দখলে চলে যায় পুরো কমিটি। এ কারণে তৃণমূলের সক্রিয় নেতাকর্মীরা দলবিমুখ হয়ে পড়েছেন। দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে ত্যাগী ও তরুণদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। নইলে অদূর ভবিষ্যতে রাজনীতির মাঠে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই মুশকিল হবে।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, কার্যালয়ের সামনে পোষা দোকানগুলো সম্পর্কে কোনো কিছুই জানেন না তিনি। দলীয় কোন্দল আর নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো জবাব না দিয়েই অনেকটা তড়িঘড়ি করে মোবাইল ফোন কেটে দেন। একাধিকবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।





আর্কাইভ

জানা গেলো অপূর্বর তৃতীয় স্ত্রীর পরিচয়, প্রকাশ্যে ছবি
বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ শহর: নেই চুরি-ডাকাতি, আছে পরিবেশ-স্বাস্থ্যগত সুরক্ষাও
উৎসুক জনতার ভিড়ের মাঝেই বিস্কুট খেতে খেতে বাসায় ঢুকলেন পরীমনি
চালের চা পানের উপকারিতা ও তৈরি পদ্ধতি
যৌথ সমঝোতায় বিদায় নিলেন উইলিয়ান
অর্জন ও পজিটিভ বাংলাদেশকে তুলে ধরতে নিউজপোর্টাল চালু করলো পুলিশ
স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই: স্বাস্থ্যের ডিজি
ওসি প্রদীপের জামিন নামঞ্জুর, স্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা