শিরোনাম:
ঢাকা, রবিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২১, ২০ অগ্রহায়ন ১৪২৮

Natun Khabor
বৃহস্পতিবার ● ২৬ আগস্ট ২০২১
প্রচ্ছদ » আওয়ামী লীগ » ঘাতকরা বাংলাদেশকে পাকিস্তানি কায়দায় রাষ্ট্র বানাতে চেয়েছিল: শেখ হাসিনা
প্রচ্ছদ » আওয়ামী লীগ » ঘাতকরা বাংলাদেশকে পাকিস্তানি কায়দায় রাষ্ট্র বানাতে চেয়েছিল: শেখ হাসিনা
৬০ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ২৬ আগস্ট ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ঘাতকরা বাংলাদেশকে পাকিস্তানি কায়দায় রাষ্ট্র বানাতে চেয়েছিল: শেখ হাসিনা

নতুন খবরঃ ডেষ্ক

১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্টের ঘাতক দল বাংলাদেশকে পাকিস্তানি কায়দায় রাষ্ট্র বানাতে চেয়েছিল কিন্তু তারা পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। ইতিহাসের জঘন্যতম ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে ১৯৭৫ সালের সেই কালরাতে। সেদিন গোটা বাঙালি জাতিকে কলঙ্কিত করেছিল সেনাবাহিনীর উচ্ছৃঙ্খল কিছু বিপথগামী সদস্য। সেদিন রাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের ওই ভবনে ঘাতকের নির্মম বুলেটে ঝাঁঝরা হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বুক।

 

অকুতোভয় বঙ্গবন্ধু ঘাতকের বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েও খুনিদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন ‘তোরা কী চাস? আমাকে কোথায় নিয়ে যাবি?’ বঙ্গবন্ধুকে দেখেও হাত কাঁপেনি খুনিদের। গুলি চালিয়েছে তারা। গুলি চালিয়ে ছিল শিশু রাসেলের ওপর।

 

খুনিদের বুলেটে সেদিন আরও প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর ভাগনে মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ রিন্টু খানসহ অনেকে। ওই সময় দেশে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা।

 

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার হওয়ার পর রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রথম শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এসে আবার সে সিদ্ধান্ত বাতিল করে। তবে ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এসে আবার রাষ্ট্রীয়ভাবে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০১১ সালের জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারবর্গের হত্যাকারী পাঁচ আত্মস্বীকৃত খুনির ফাঁসির দণ্ডাদেশ কার্যকর হয়।

 

এ বছর এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করলেও তার স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী চক্রের যে কোনো অপতৎপরতা-ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

 

স্বাধীন বাংলাদেশে কোনো বাঙালি তার নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে না বলে দৃঢ়বিশ্বাস করতেন বঙ্গবন্ধু। সে জন্য তিনি গণভবনের পরিবর্তে থাকতেন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসভবনে। যে বাড়িটি বাঙালির স্বাধিকার-স্বাধীনতা আন্দোলনের সূতিকাগার হিসেবে অসম্ভব প্রিয় ছিল বঙ্গবন্ধুর। এখানে থেকেই তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজে সর্বশক্তি নিয়ে ব্রতী ছিলেন।

 

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমদ বিচারের হাত থেকে খুনিদের রক্ষা করতে কুখ্যাত ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করেন। পরে জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে ইনডেমনিটিকে আইন হিসেবে অনুমোদন দেন।





আর্কাইভ

জানা গেলো অপূর্বর তৃতীয় স্ত্রীর পরিচয়, প্রকাশ্যে ছবি
বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ শহর: নেই চুরি-ডাকাতি, আছে পরিবেশ-স্বাস্থ্যগত সুরক্ষাও
উৎসুক জনতার ভিড়ের মাঝেই বিস্কুট খেতে খেতে বাসায় ঢুকলেন পরীমনি
চালের চা পানের উপকারিতা ও তৈরি পদ্ধতি
যৌথ সমঝোতায় বিদায় নিলেন উইলিয়ান
অর্জন ও পজিটিভ বাংলাদেশকে তুলে ধরতে নিউজপোর্টাল চালু করলো পুলিশ
স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত শিগগিরই: স্বাস্থ্যের ডিজি
ওসি প্রদীপের জামিন নামঞ্জুর, স্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা